২১শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
Advertisement

সারেঙ্গায় আগুনে ভস্মীভূত বাড়ি

সঞ্জয় ঘটক :সারেঙ্গা ব্লকের গাংনালাতে আগুনে ভষ্মীভূত হলো মাটির বাড়ি। পুড়ে ছাই বাড়ির আসবাব পত্র থেকে গহনা, টাকা , দলিল পত্র ।

স্থানীয় সূত্রে খবর, গ্যাসের সিলিন্ডার লিক করে ছড়িয়েছে আগুন। আজ সকাল ৮ টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। প্রথমে গ্রামবাসীদের চেষ্টায় আগুন বেশ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে ,এবং দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

Advertisement

সারেঙ্গার গাংনালা গ্রামের জেলে পাড়ার বাসিন্দা কনকলতা ধীবরের । কনকলতা দেবীর ছেলে দীপক স্থানীয় এলাকায় মাছ বিক্রি করে চালাতেন সংসার,ঘরে বৃদ্ধ মা,স্ত্রী এবং তিন সন্তান। আজ সকালে হঠাৎ আগুনে ভষ্মীভূত হয়ে যায় কনকলতা দেবীর খড়ের চালের মাটির বাড়ি। পরিবার ও স্থানীয়দের কথায় গ্যাসের সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিক করেই ঘটেছে দূর্ঘটনা। ঘরের কর্তী কনকলতা দেবীর কথায় যখন আগুন লাগে তখন তিনি ঘরের ছাদে ঔষধ আনতে গিয়ে প্রচন্ড ধোঁয়া দেখে কোন রকমে নেমে আসেন।তবে জিনিস পত্র কিছুই বের করা সম্ভব হয়নি। বাড়িতে মজুত খাদ্য থেকে আসবাব পত্র এমন কি টাকা পয়সা,চাল,গম,মুড়ির বস্তা, গয়না সবই পুড়ে গেছে বলেই দাবী। স্থানীয়রা প্রথমে আগুন লক্ষ্য করেন, খবর দেওয়া হয় স্থানীয় সারেঙ্গা থানায়। সেখানে দ্রুত উপস্থিত হন সারেঙ্গা থানার পুলিশ কর্মীরা। খবর দেওয়া হয় খাতড়া দমকল বিভাগে।দমকলের আধিকারিক অঞ্জন ব্যানার্জি জানান , আটটা কুরি নাগাদ ফোন আসে তৎক্ষণাৎ আমরা খাতরা থেকে একটি দমকলের ইঞ্জিন নিয়ে চলে আসি, অঞ্জন বাবুর কথায় সিলিন্ডার গ্যাস লিক করে আগুন লেগেছে ।স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান, পরে দমকল এসে আগুন সসম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে।

এই খবর পেয়ে বিকেলে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রায়পুরের বিধায়ক মৃত্যুঞ্জয় মুর্মু। বিধায়ক কে পাশে পেয়ে খুশি পরিবারের সদস্যরা ।মৃত্যুঞ্জয় বাবু বলেন আমি এই পরিবারের পাশে আছি এখন কিছু ত্রিপল,কম্বল,শীতবস্ত্র ,শাড়ী এবং কিছু নগদ অর্থ হাতে দিলাম এবং তিনি এও বলেন যে এই ক্ষতি গ্রস্থ বাড়িটিকে করার জন্য সরকারি ভাবে চেষ্টা করবো।অন্য দিকে সারেঙ্গা বিডিও অফিস থেকে এই অসহায় পরিবারটির জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন ।

Advertisement