১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
Advertisement

বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ

সনাতন গড়াই ,পশ্চিম বর্ধমান : বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন অতুল বাগদি নামে ঐ বিজেপি নেতা। গতকাল রাতের এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য দুর্গাপুরের ট্রাঙ্ক রোড এলাকা। অভিযোগের আঙুল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকে। ভিত্তিহীন অভিযোগ তৃণমূল নেতৃত্বের। অতুল বাগদি বিজেপির এক নম্বর মন্ডলের সহ সভাপতি। বিজেপি নেতা অতুল বাগদির অভিযোগ,”তাঁর ভাই এবং ভাইয়ের বউ বৃহস্পতিবার রাতে ট্রাঙ্ক রোডে বসেছিলেন। তখনই চার চাকার গাড়িতে করে এসে বেশ কয়েকজন তাদেরকে টিটকারি মারে। ভাই বিষয়টি তাকে জানাতেই সেখানে তিনি ছুটে আসেন। তারপরে ফের চার চাকার গাড়িতে করে এসে তাঁকে লক্ষ করে গুলি চালায়। তৃণমূলের দুষ্কৃতি ভোলা পাশওয়ান সহ আরো বেশ কয়েকজন ছিলেন ওই গাড়িতেই। এই ঘটনার পরেই পুলিশকে বিষয়টি জানান। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেন। পুলিশ ভোলা পাশওয়ানের বাড়িতে গিয়েও তাঁকে দেখতে পাইনি।” সামনের একটি দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ তদন্তকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে আর সন্ত্রাস মুক্ত ভোট করার দাবিতে শুক্রবার সকালে প্রতিবাদে নামেন বিজেপি কর্মীরা। শুরু করে স্লোগান। দিন কয়েক আগে দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীর এজোনের কনিষ্ক সাউথ রোডের কাছে অভিষেক রায় নামে এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে বোমাবাজি করে দুষ্কৃতীরা। অভিষেক তৃণমূলের নমঃশুদ্র ও উদ্বাস্তু সেলের জেলা সভাপতি ছিলেন, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পরের দিন রাতেই অভিষেক রায়ের বাড়িতে বোমাবাজি হয়। সেই ঘটনার কিনারা হতে না হতেই আবারও উঠলো আর এক অভিযোগ।

 

Advertisement

 

 

Advertisement

 

তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল নেতৃত্ব। যদিও ভিত্তিহীন অভিযোগ পাল্টা দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি উত্তম মুখোপাধ্যায় বলেন,”বিজেপি প্রচারে আসার জন্য পুরো ঘটনা সাজিয়ে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করার চেষ্টা করছে।” গোটা ঘটনাকে ঘিরে টানটান উত্তেজনা দুর্গাপুরের বেনাচিতি বাজার সংলগ্ন ট্রাঙ্ক রোডের কাছে।

Advertisement