১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
Advertisement

লোকসংস্কৃতি ও পর্যটন এবং গোষ্ঠী উন্নয়ন নিয়ে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মমুখী কোর্সের উদ্বোধন

নূতন ভোরের প্রতিবেদন : একাধিক কর্মমুখী কোর্স প্রচলন করে অভিনব দিশা দেখাচ্ছে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়। ২৭ শে জানুয়ারি “লোকসংস্কৃতি, পর্যটন ও গোষ্ঠী উন্নয়ন” বিষয়ে লোকসংস্কৃতি বিভাগে ছমাসের সার্টিফিকেট কোর্সের উদ্বোধন করলেন কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মানসকুমার সান্যাল। এই বিষয়েই একটি জাতীয় স্তরের আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে এদিন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় এবং রাজ্য স্তরের বিশিষ্ট ব্যাক্তিত্বরা। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্তরের পড়ুয়া, স্নাতকোত্তর স্তরের পড়ুয়া, গবেষক এবং শিক্ষকরাও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। ভার্চুয়াল মাধ্যমে প্রায় ১০০ জনকে নিয়ে এই কোর্সের উদ্বোধন হয় ও জাতীয় স্তরের আলোচনাচক্র অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) রাষ্ট্রীয় উচ্চ শিক্ষা অভিযান (রুশা)- এর স্কিমের আওতায় এই ধরনের কোর্সের ভাবনা ও সূচনা। রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় উদ্যোগে রুশা স্কিমের অধীনে এই কোর্স চলবে। আর্থিকভাবে সহযোগিতায় করেছে ইউজিসি ও রাজ্য সরকার।কর্মমুখীন এই কোর্সের ফলে বেকার যুবক-যুবতীরাই বিশেষভাবে সুবিধা পাবেন বলে বিশেষজ্ঞরা বলেন। রাজ্য ও রাজ্যের বাইরের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাও এই কোর্সে ভর্তি হয়েছে।
উপাচার্য অধ্যাপক মানসকুমার সান্যাল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বলেন, এ ধরনের অভিনব কোর্স বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মমুখী দিশা দেখাতে পারে। উল্লেখ্য উপাচার্য ছিলেন এই অনুষ্ঠানের মুখ্য পৃষ্ঠপোষক।

কোর্সের উদ্বোধন এবং লোকসংস্কৃতি ও পর্যটন বিষয়ে জাতীয় স্তরের এই আলোচনা চক্রে আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে মুখ্য আলোচকের ভূমিকায় উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক বিভারাজ ভূষণ পারিদা। এছাড়াও অসমের মহাপুরুষ শ্রীমন্ত শংকরদেব বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধক ও লোকসংস্কৃতিবিদ অধ্যাপক মৃণাল বোড়া এবং গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ লোকসংস্কৃতিবিদ ড. প্রবীণচন্দ্র দাস অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি এবং সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে কলা ও বাণিজ্য অনুষদের ডীন অধ্যাপক অমলেন্দু ভূঁইয়া এবং আইকিউএসি এর ডিরেক্টর অধ্যাপক নন্দকুমার ঘোষ।

Advertisement

উপাচার্য অধ্যাপক মানসকুমার সান্যালের অভিভাবকত্বে, কোর্স কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক (ড.) সুজয়কুমার মণ্ডলের প্রতিনিধিত্বে এবং অনুষ্ঠানের সমন্বয়কারী ড. দেবলীনা দেবনাথের সর্বাঙ্গীণ সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সাফল্যমন্ডিত হয়ে ওঠে।

কোর্স কো-অর্ডিনেটর ও লোকসংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক সুজয়কুমার মণ্ডল জানান, রাজ্যব্যাপী পড়ুয়াদের মধ্যে এই কোর্স নিয়ে বিশেষ উৎসাহ দেখা গেছে। এই কোর্সের প্রশিক্ষণ নিয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগপতী হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। লোকসংস্কৃতি ও পর্যটন বিষয়ে এই অভিনব কোর্সটি পড়ুয়াদের ভীষণভাবে কাজে লাগবে। তাছাড়া এদিনের আলোচনা চক্রও অত্যন্ত মনোজ্ঞ হয়েছে।

Advertisement