২০শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
Advertisement

কল‍্যাণী বিশ্ববিদ‍্যালয়ে অনুষ্ঠিত দুদিন ব‍্যাপী জাতীয় শারীর বিজ্ঞান সম্মেলনের পরিসমাপ্তি

নূতন ভোরের প্রতিবেদন : কল‍্যাণী বিশ্ববিদ‍্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে দুদিন ব‍্যাপী জাতীয় শারীর বিজ্ঞান সম্মেলন। শুক্রবার তার পরিসমাপ্তি হল। বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শারীর বিজ্ঞান বিভাগ এবং ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্ৰেসের কলকাতা চ‍্যাপ্টারের যৌথ উদ‍্যোগে এই জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দুদিন সারা দেশের প্রায় দুশো জন গবেষক তাঁদের গবেষণা পত্র বিশিষ্ট বিজ্ঞানীদের সামনে তুলে ধরেন। বহু বিদগ্ধ বক্তা জাতীয় সম্মেলনে বক্তব‍্য রাখেন। সারাদিন ব‍্যাপী বিশ্ববিদ‍্যালয়ের বিভিন্ন সেমিনার হলে আলোচনাচক্র, স্কুল, কলেজের ছাত্রছাত্রীদের মডেল, পোষ্টার প্রদর্শনের পর বিকেল চারটের সময় বিশ্ববিদ‍্যালয়ের বিদ‍্যাসাগর সভাগৃহে জাতীয় সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটে।

 

Advertisement

 

 

Advertisement

 

 

Advertisement

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কল‍্যাণী বিশ্ববিদ‍্যালয়ের প্রাক্তন অন্তবর্তী উপাচার্য এবং বিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন ডিন প্রফেসর ড. শীতল কুমার চট্টোপাধ‍্যায়, বিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন ডিন প্রফেসর ড. রীতা ঘোষ, প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন বরিষ্ঠ প্রফেসর ড. বি.বি. জানা, ইতিহাসের প্রফেসর শ্রী অলোক কুমার ঘোষ, শারীর বিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড.শুভাশিস সাহু, পরীক্ষা সমূহের নিয়ামক ড. বিমলেন্দু বিশ্বাস এব‌ং কলকাতা বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শারীর বিজ্ঞানের প্রফেসর ড. দেবাশিস বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়। সমগ্ৰ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ‍্যালয়ের সহ-উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম পাল। প্রফেসর পাল জাতীয় সম্মেলনে উপস্থিত সকল অতিথি বৃন্দ, বৈজ্ঞানিক, বিশ্ববিদ‍্যালয়ের সর্ব স্তরের কর্মী, গবেষক, রাজ‍্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত স্কুলের এবং কলেজের ছাত্রছাত্রী এব‌ং তাদের শিক্ষক মহাশয়দের অবদানের কথা এই সম্মেলনকে সফল করার জন‍্য কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করেন এবং সকলের কুশল কামনা করেন। এরপর মঞ্চে উপবিষ্ট অতিথি বৃন্দ তাঁদের মনোজ্ঞ বক্তৃতায় জাতীয় সম্মলনের সফলতা এবং এর আকর্ষণীয় দিক গুলো তুলে ধরেন এবং গবেষক ও স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ বর্ধন করেন। তাঁরা ছাত্রছাত্রীদের ভালো শিক্ষক, ভালো মানুষ এবং ভালো গবেষক হবার জন্য অনুপ্রাণিত করেন। তবেই সমাজ এবং দেশ এগোবে। এরপর বিভিন্ন স্কুল এবং কলেজের ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষক শিক্ষিকারা জাতীয় সম্মেলন সম্বন্ধে তাঁদের মতামত তুলে ধরেন এবং চিল্ড্রেন্স সায়েন্স কংগ্ৰেস যে তাঁদের মধ‍্যে যে উদ্দীপনা এবং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আশার আলো সঞ্চার করেছে তা ব‍্যক্ত করেন। এরপর চিল্ড্রেন্স সায়েন্স কংগ্ৰেসের বিভিন্ন বিভাগের সেরা তিনটি গ্ৰুপকে পুরষ্কৃত করা হয়। মঞ্চে উপবিষ্ট সম্মানীয় অতিথি বর্গ এবং বিশ্ববিদ‍্যালেয় সুরক্ষা কর্মীরা ছাত্রছাত্রীদের পুরষ্কৃত করেন। জাতীয় সঙ্গীতের মাধ‍্যমে সমগ্ৰ অনুষ্ঠানটির পরিসমাপ্তি ঘটে।

 

Advertisement

 

 

Advertisement

 

 

Advertisement

 

 

Advertisement

কল‍্যাণী বিশ্ববিদ‍্যালয়ে দুদিন ব‍্যাপী শারীর বিজ্ঞানের জাতীয় সম্মেলন সফল। ২৮-২৯ এপ্রিল কল‍্যাণী বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শারীর বিজ্ঞান বিভাগ ও ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্ৰেস, কলকাতা চ‍্যাপ্টারের যৌথ উদ‍্যোগে কল‍্যাণী বিশ্ববিদ‍্যালয়ে “সাসটেইনেবল হেল্থ সায়েন্স ফর ফিউচার জেনারেশানস” থিমের উপর এক জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল।

 

Advertisement

 

 

Advertisement

 

 

Advertisement

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ‍্যালয়ের বিদ‍্যাসাগর সভাগৃহে আলোচনাসভার উদ্বোধন করেন ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্ৰেসের বর্তমান সাধারণ সভাপতি ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এবং বিশেষ সম্মানীয় অথিতি প্রফেসর ড. বিজয়লক্ষ্মী সাক্সেনা। প্রধান অতিথির পদ অলংকৃত করেন ব্রিটিশ উপদূতাবাস, কলকাতার মাননীয় উপদূত মিষ্টার নিক লো মহাশয়। বিশেষ অতিথির পদ অলংকৃত করেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্ৰেসের ভূতপূর্ব সভাপতি প্রফেসর ড. অশোক কুমার সাক্সেনা মহাশয়। পুরো অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কল‍্যাণী বিশ্ববিদ‍্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মানস কুমার সান‍্যাল।

ঐদিন সকাল দশটায় উদ্বোধনী সঙ্গীত, বিশিষ্ট অতিথিদের মঞ্চে উপবেশন এবং দীপ প্রজ্বলনের মাধ‍্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। স্বাগত ভাষণ দেন কল‍্যাণী বিশ্ববিদ‍্যালয়ের সহ-উপাচার্য এবং জাতীয় সম্মেলনের সাংগাঠনিক সভাপতি প্রফেসর ড. গৌতম পাল এবং ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্ৰেস, কলকাতা চ‍্যাপ্টারের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মনোজ চক্রবর্তী।

Advertisement

 

 

Advertisement

 

 

Advertisement

 

অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন প্রফেসর ড. বিজয়লক্ষ্মী সাক্সেনা। জাতীয় সম্মেলনের প্রসিডিংসের মোড়ক উন্মোচন করেন প্রফেসর ড. অশোক কুমার সাক্সেনা। এছাড়াও বক্তব‍্য রাখেন মিষ্টার নিক লো মহাশয়। উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ‍্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ডিন প্রফেসর ড. কেকা সরকার এবং বিশ্ববিদ‍্যালয়ের আই.কিউ.এ.সি. এর ডিরেক্টর প্রফেসর ড. নন্দ কুমার ঘোষ।

Advertisement

সারা দেশ থেকে প্রায় একশো পঁচাত্তর জন গবেষক তাঁদের গবেষণাপত্র সূচারুভাবে দেশের বিশিষ্ট বিজ্ঞানীদের সামনে তুলে ধরেন। আলোচনা সভাটি বক্তাদের দক্ষতায় অত‍্যন্ত মনোজ্ঞ হয়ে ওঠে।

 

Advertisement

 

 

Advertisement

 

 

Advertisement

জাতীয় সম্মেলনের অন‍্য আকর্ষণীয় দিকটি হল “চিল্ড্রেন্স সায়েন্স কংগ্ৰেস”। দেশের চিকিৎসা বিজ্ঞান গবেষণার উপরে আমাদের আর্থ-সামাজিক এবং মানুষের স্বাস্থ‍্য পরিস্থিতি নির্ভর করে। এজন‍্য গবেষণার ক্ষেত্র বাড়াতে হবে। গবেষণার অভিমুখ কি হবে তা নির্ধারণ করার জন্য স্কুল লেভেল থেকেই ছাত্রছাত্রীদের অনুপ্রাণিত করার জন্য চিল্ড্রেন্স সায়েন্স কংগ্ৰেসের আয়োজন করা হয়েছে। স্কুলের একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের বিজ্ঞানে আগ্ৰহী করে তোলার জন‍্য এটি একটা অভিনব উদ‍্যোগ। রাজ‍্যের চল্লিশটিরও বেশি স্কুলের একশোর বেশি ছাত্রছাত্রী তাদের বিজ্ঞান ভাবনা অত‍্যন্ত আকর্ষণীয় মডেল এবং পোষ্টারের মাধ‍্যমে তুলে ধরে। সেরা তিনজন ছাত্রছাত্রীদের পুরষ্কৃত করা হয়। চিল্ড্রেন্স সায়েন্স কংগ্ৰেসের উদ্বোধন করেন ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসের সাধারণ সভাপতি অধ্যাপক বিজয়লক্ষ্মী সাক্সেনা। প্রধান অতিথি ছিলেন কল্যাণী পৌরসভার উপ পৌরপ্রধান বলরাম মাঝি। কিনোট অ্যাড্রেস অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কল‍্যাণী বিশ্ববিদ‍্যালয়ের প্রাক্তন উপচার্য অধ‍্যাপক ড. অলোক কুমার ব‍্যানার্জী মহাশয় এবং পুরুলিয়া সিদো কানু বিশ্ববিদ‍্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ‍্যাপিকা ড. শমিতা মান্না মহাশয়া। কিনোট অ্যাড্রেস দেন এন.আই.বি.এম.জি., কল‍্যাণীর ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর এবং বিশিষ্ট বিজ্ঞানী অধ‍্যাপিকা ড. শর্মিলা সেনগুপ্ত। ছাত্রছাত্রীদের সক্রিয় অংশগ্ৰহণে অনুষ্ঠানটি অত‍্যন্ত মনোগ্ৰাহী হয়ে ওঠে। তাদের উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। অর্গানাইজিং কমিটির সম্পাদক ড. শুভাশিস সাহুর ধন‍্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ‍্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।

Advertisement