২১শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
Advertisement

মানিকের গ্রেপ্তারি নিয়ে হলফনামা দিল ইডি,মঙ্গলবার ফের শুনানি সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে 

মোল্লা জসিমউদ্দিন : সোমবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে ইডির হেফাজতে থাকা মানিক ভট্টাচার্য এর দাখিল মামলার শুনানি চলে। এদিন কোন নির্দেশ জারি করেনি আদালত। মঙ্গলবার ফের এই মামলার শুনানি রয়েছে। প্রাথমিকের নিয়োগ মামলায় রক্ষাকবচ থাকলেও কেন গ্রেফতার করা হল তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে?  গ্রেপ্তারি  নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। এদিন সুপ্রিম কোর্টের  বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু এবং বিচারপতি বিক্রম নাথের ডিভিশন বেঞ্চে ইডির তরফে হলফনামা জমা দেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। হলফনামার দাখিলের পাশাপাশি সোমবার তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে তথ্য দেয়  ইডি। এদিন ইডির তরফে আইনজীবী জানিয়েছেন  -‘এই মামলায় সিবিআই আলাদা ভাবে তদন্ত করছে। তাদের সঙ্গে ইডির কোনও সম্পর্ক নেই।

 

Advertisement

 

 

Advertisement

 

দু’টি তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত প্রক্রিয়া আলাদা। এই মামলায় তদন্ত করে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি হাতে পেয়েছে তারা। বিশাল অঙ্কের আর্থিক বিষয় রয়েছে এই মামলায় ‘। এর আগে টেট দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিত্‍ গঙ্গোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সেই রায় বহাল রাখে।এরপর  সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার  এবং মানিক ভট্টাচার্য । পুজোর আগে সুপ্রিম কোর্টে  এই মামলার শুনানি শেষ হলেও স্থগিত থাকে রায় ঘোষণা। তবে সেসময় মানিক ভট্টাচার্য কে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হওয়া থেকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এর ফলে পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারেনি সিবিআই।তবে  এর মধ্যেই গত ১০ অক্টোবর সিজিও কমপ্লেক্সে  টানা জেরার পর  গভীর রাতে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে মানিক ভট্টাচার্য কে গ্রেফতার করে থাকে ইডি। আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে মানিকের বিরুদ্ধে বয়ানে ‘অসঙ্গতি’র অভিযোগও আনা হয়।তদন্তে অসহযোগিতা অভিযোগ আনা হয়।বর্তমানে মানিক বাবু  ইডি হেফাজতে রয়েছেন। একই মামলায় আদালতের রক্ষাকবচের পরও, ইডি তাঁকে কেন গ্রেফতার করল?  সেই প্রশ্ন তুলে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য ।

Advertisement

 

 

Advertisement

 

 

Advertisement

তাঁর আইনজীবী মুকুল রোহতগি আদালতে  বলেন,-  ”কোনও তদন্তে আদালত রক্ষাকবচ দিলে, সেটা সব তদন্তের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হওয়া উচিত। মামলাটি বিচারাধীন অবস্থাতেই কিভাবে গ্রেফতার করতে পারে ইডি?” এদিন সিবিআইয়ের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা  সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে আরও একদিন সময় চেয়েছেন। তা মঞ্জুর করা হয়েছে। মঙ্গলবার শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। আইনজীবী একাংশ জানাচ্ছেন -‘  সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে সিবিআই নিয়ে। ইডি পৃথক একটি সংস্থা’। যদিও অনেকের মতে, একটি তদন্ত এজেন্সির জন্য কোনও রায় হলে অন্যদের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য হয়, এটাই রীতি। এখন দেখার সুপ্রিম কোর্ট শেষ পর্যন্ত কী রায় দেয়?

Advertisement