১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
Advertisement

বাঁকুড়া জেলায় প্রথম এবং রাজ্যের নবম স্থান অধিকার অরুণিমার

পাপিয়া বারুই,বাঁকুড়া : বাঁকুড়া জেলায় প্রথম এবং রাজ্যে নবম স্থান অধিকার করলেন বাঁকুড়া মিশন গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী অরুণিমা চ্যাটার্জী। বাঁকুড়ার মিলনপুরের বাসিন্দা এই ছাত্রী দিনে পড়াশোনা করতেন মাত্র তিন থেকে চার ঘণ্টা। রাত জেগে পড়াশোনা নয়। দুপুরে দু’ঘন্টা নিয়মিত ঘুম এবং রাতে সাড়ে দশটার মধ্যে আবার ঘুমিয়ে পড়তেন বাঁকুড়ার কৃতী ছাত্রী। প্রস্তুতির একটা বড় অংশ অরুণিমা সহায়তা পেয়েছে তার মা রুমা চ্যাটার্জির। বাঁকুড়ার কৃতী ছাত্রী অরুণিমার মা বিকনা ক্ষীরদপ্রসাদ স্মৃতি বিদ্যালয় এর ইংরেজির শিক্ষিকা এবং বাবা অংশুমালি চ্যাটার্জী প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক।

 

Advertisement

 

 

Advertisement

 

 

Advertisement

বেশিরভাগটাই টিউশন এবং মায়ের কাছে বিশেষ করে ইংরেজির প্রস্তুতির সঙ্গে মিশন গার্লসের অবদানকে এগিয়ে রাখছেন অরুণিমা। বড় হয়ে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন অরুণিমা চ্যাটার্জীর। অরুণিমা জানায় দিনে ৩-৪ ঘণ্টা পড়াশোনা করেই এসেছে চমকপ্রদ সফলতা।

 

Advertisement

 

 

Advertisement

 

 

Advertisement

দুর্দান্ত গান গায় বাঁকুড়ার কৃতী ছাত্রী অরুণিমা চ্যাটার্জী। এছাড়াও আবৃত্তি করতেও বেশ সিদ্ধহস্তা সে। পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চার ঈর্ষণীয় উদাহরণ রাখলেন এই ছাত্রী। পড়াশোনাটা যে শুধুমাত্রই মুখস্ত এমনটা মনে করেন না অরুণিমা। তিনি জানান ধারণাগত বিদ্যা এবং চর্চাই বেশি সফলতা এনে দেয়। লম্বা মেধা তালিকায় নিজের নামের অপেক্ষা করতে করতে উত্তেজনা বাড়ছিল বলেই জানিয়েছেন কৃতী ছাত্রী। অবশেষে নিজের নাম শুনে ফেলেছেন সন্তুষ্টির নিশ্বাস।

 

Advertisement

 

 

Advertisement

 

 

Advertisement

অন্যান্য বছরের তুলনায় মেধা তালিকায় বাঁকুড়ার ওজন একটু কম ২০২৪ এর মাধ্যমিকে। তবে যে চারজন মেধা তালিকায় জায়গা করে বাঁকুড়ার ধ্বজা ওড়াচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে মূল কান্ডারী হলেন বাঁকুড়া শহরের বাঁকুড়া মিশন গার্লসের ছাত্রী অরুণিমা চ্যাটার্জী।

Advertisement