৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
Advertisement

বাঁকুড়ার দুঃস্থ মেধাবী ছাত্রের পাশে দাঁড়ালো বঙ্গীয় সাহা সমতির কলকাতা কার্যালয়

সাধন মন্ডল : বাঁকুড়ার দুঃস্থ মেধাবী ছাত্রের পাশে দাঁড়ালো বঙ্গীয় সাহা সমিতির কলকাতা কার্যালয়।

 

Advertisement

বাঁকুড়া জেলার প্রত্যন্ত গ্রামের ছেলে সুজিত মন্ডল গ্রামের এক চিলতে বাড়িতে অভাবের সংসারে থেকে নানান দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়ে ২০২৪ এ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো ফল করেছে সে। তার প্রাপ্ত নাম্বার ৬১৮ । জঙ্গলমহলের রাইপুর ব্লকের মুড়ামৌলি গ্রামের বাসিন্দা ,বাড়ির অত্যন্ত দরিদ্র অবস্থা। বাবা কলকাতায় একটি কোম্পানিতে নাইট গার্ডের কাজ করেন।

 

Advertisement

 

 

Advertisement

মা গৃহবধূ। ছেলের সাফল্যে গর্বিত ও আনন্দিত হয়েও দিশেহারা পরিবার। ছেলেকে উচ্চ শিক্ষিত কিভাবে করবেন, তার টাকার যোগাড় কোথা থেকে হবে এই নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সুজিতের বাবা ও মা ।তারা জানতে পারেন উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে বা অসহায় মানুষদের সাহায্যে বঙ্গীয় সাহা সমিতি কাজ করে চলেছেন। তারা সব সময় অসহায়দের পাশে আছেন সেই জানা থেকে থেকে তারা যোগাযোগ করেন বঙ্গীয় সাহা সমিতির সাথে।

 

Advertisement

 

 

Advertisement

সমিতির কাছে তাদের অসহায়তার কথা জানান এবং তার উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে কিছু সাহায্য আবেদন করেন তার এই পরিপেক্ষিতে কলকাতা বঙ্গীয় সভা সমিতি সমিতির সভা ডেকে সুজিতের অসহায়তার কথা চিন্তা করে বঙ্গীয় সাহা সমিতির কলকাতা কার্যালয়ের সভ্য বৃন্দ সিদ্ধান্ত নিয়ে অসহায় মেধাবী দুঃস্থ সুজিত মন্ডলের উচ্চ শিক্ষায় যথাসাধ্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তারা আজ বাঁকুড়ায় তার মাসির ভাড়া বাড়িতে এসে তার হাতে ফুলের তোড়া ,মেডেল, বঙ্গীয় সাহা সমিতির নামাঙ্কৃত কলম, ক্যালেন্ডার,মিষ্টির প্যাকেট ও দশ হাজার টাকা একটি চেক তুলে দেন। উপস্থিত ছিলেন বঙ্গীয় সহ সমিতির সম্পাদক সুবীর সাহা সহ সমিতির কোষাধ্যক্ষ, সহকারী কোষাধ্যক্ষ সহ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব তারা কলকাতা থেকে ২০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে বাঁকুড়ায় এসে দুস্থ মেধাবী সুজিত মন্ডলকে সংবর্ধনা জানিয়ে গেলেন ও তার আগামীর সাফল্য কামনা করেন। সুজিত মন্ডল আগামী দিনে ডাক্তার হতে চায় সে বলে আমি সমাজের জন্য কিছু কাজ করতে চাই ডাক্তার হতে পারলে অনেক মানুষের সেবা করার সুযোগ পাবো। মানুষের সেবায় হোক আমার চলার পথে পাথেয় । আমি দেখেছি এখনো অনেক জায়গায় গ্রামে গঞ্জের মানুষরা চিকিৎসার অভাবে থাকেন। সকলের পক্ষে দূর-দূরান্তে গিয়ে চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়ে ওঠে না তখন তারা কোয়াক ডাক্তার অথবা ঝাড়ফুঁকের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টা করে। তাদের কথা মাথায় রেখেই আমি চিকিৎসক হতে চাই। বঙ্গীয় সাহা সমিতির পক্ষ থেকে তাকে আর্থিক সাহায্য করার জন্য ও তার পাশে থাকবার আশ্বাস দেওয়ায় তার পরিবার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

Advertisement